লকডাউনে ডিজাস্টার শাড়ির মাধ্যমে রাজ্যের তাঁতিরা বেঁচে থাকার রসদ পেয়েছেন

অনলাইনে ভালোই ব্যবসা করেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান তন্তুজ। এর ৮০ শতাংশই এসেছে তাঁতের শাড়ি বিক্রি করে। এর পেছনে অবদান রয়েছে রাজ্য সরকারের। লকডাউনের বাজারে তন্তুজ-র মাধ্যমে শাড়ি অর্ডার দিয়ে তারা তাঁতিদের অন্নের সংস্থান করেছে।
তাঁতিদের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুশি তন্তুজের কর্তাব্যক্তিরাও। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবীন্দ্রনাথ রায় বলছেন, ‘তাঁতিদের আর্থিক ভাবে সাহায্য করার জন্য রাজ্য সরকারের নির্দেশে ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড় ও ধাত্রীগ্রামে শিবির করে ৩৩ লক্ষ টাকার শাড়ি কেনা হয়েছে। বিষ্ণুপুরের বালুচরি তাঁতিরা খুবই আর্থিক সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন। তাঁদের কাছ থেকেও ৩৫ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকার বালুচরি কেনা হয়েছে। নদিয়ার শান্তিপুর ও ফুলিয়াতেও শিবির করে তাঁতিদের কাছ থেকে শাড়ি কেনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’
লকডাউনের বাজারে সুতোর দাম যেমন বেড়েছে তেমনি মহাজনদের কাছ থেকে অর্ডার আসাও কমে গিয়েছিল। যাও বা অর্ডার আসছিল, তাও মহাজনরা সময়মতো পেমেন্ট করতেন না। দিন দিন তাঁতিদের অবস্থা করুণ হচ্ছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার ডিজাস্টার শাড়ির প্রকল্প নেয়। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁতিদের কাছ থেকে কাজের বিনিময়ে সঠিক এবং সময়মতো দাম দেওয়া শুরু হয়। এর ফলেই তাঁতিদের অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন জায়গার তাঁতিরা।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s